Showing posts with label Doya. Show all posts
Showing posts with label Doya. Show all posts

Tuesday, May 24, 2016

আয়াতটি পাঠ করলে পাওয়া যাবে ৭০ হাজার ফেরেশতার দোয়া ।

ফজরের নামাজের পর যে ব্যক্তি ছোট্ট এই আয়াতটি পাঠ করবে সেই ব্যক্তির জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা দোয়া করতে থাকবেন। এ প্রসঙ্গে মাকাল ইবনে ইয়াসার (রা.) বর্ণনা করেন, মহানবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে ৩ বার আউযুবিল্লাহিস্সামিউল আলিমি, মিনাশ শাইত�নির রাজিম’ পাঠ করার পর সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা নিযুক্ত করেন।
পাঠকারীর জন্য ফেরেশতারা সন্ধ্যা পর্যন্ত রহমতের দোয়া করতে থাকেন। পাঠকারী সেদিন মারা গেলে শহিদের মর্যাদা দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় সুরা হাশরের শেষ তিন পাঠ করবে, সেও একই মর্যাদা লাভ করবে। অর্থাৎ মাগরিব থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত ৭০ হাজার ফেরেশতা গুনাহ মাফের জন্য রহমতের দোয়া করে, আর সে রাতে মারা গেলে শহিদর সম্মান পাবে। সূত্র : তিরমিজি হা/২৯২২ কানযুল উম্মাল হা/৩৫৯৭, মুসনাদে আহমাদ হা/ ২০৩০৬, মিশকাতুল মাসাবিহ/ ২১৫৭
সুরা হাশরে শেষ তিন আয়াতের উচ্চারণ : ১) হু আল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হু। আলিমুল গাইবি ওয়াশ শাহাদাতি হুয়ার রাহমানুর রাহিম। ২) হু আল্লা হুল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হু। আল মালিকুল কুদ্দুসুস সালামুল মু’মিনুল মুহাইমিনুল আজিজুল জাব্বারুল মুতাকাব্বির। সুব হানাল্লাহি আম্মা ইউশরিকুন। ৩) হু আল্লাহুল খালিকুল বারিয়ুল মুসাওরি লাহুল আসমাউল হুসনা। ইউ সাব্বিহু লাহু মা ফিস সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ্, ওয়া হুয়াল আজিজুল হাকিম।

বিপদের সময় যে দোয়াটি পাঠ করলে স্বয়ং আল্লাহ তায়া’লা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।



বিপদে পড়েননি এমন মানুষ খুজে পাওয়া ভার। সবাই কম-বেশি বিপদে পড়েছেন। কেউ একবার আর কেউ বহুবার। কিন্তু কখনো কি বিপদে পড়লে কোন দোয়া পড়েছেন? হয়তো বলবেন, বিপদের সময় দোয়া পড়ার কথা মনেই থাকে না।
একটি দোয়া পাঠ করলেই ভীষন বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। স্বয়ং আল্লাহ তা’য়ালা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। মূল্যবান সেই দোয়াটি এবার আমরা জনবো। দোয়াটি হলো- ‘আল্লাহুম্মাস তুর আওরাতীনা ওয়া আমীন রাওয়াতীনা’।
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বর্ননা করেন, খন্দকের যুদ্ধের সময় আমরা আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর নিকট আরয করলাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! এ নাযুক মুহুর্তের জন্য কি কোন দোয়া আছে? আতংকের আতিশায্যে আমাদের হৃদপিন্ড যেন কন্ঠনালী পর্যন্ত এসে যাচ্ছে।
উত্তরে রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর দরবারে এ ভাবে দোয়া কর, ‘আল্লাহুম্মাস তুর আওরাতীনা ওয়া আমীন রাওয়াতীনা’ অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাদের সকল দুর্বলতাকে ঢেকে রাখুন এবং আমাদের আস্থিরতাকে স্থিরতায় পরিনত করুন।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী(রাঃ) বলেন, আল্লাহ তায়া’লা বাতাস পাঠিয়ে শত্রুদের মুখ থুবড়ে দিলেন এবং বাতাসের মাধ্যমেই তাদেরক ধ্বংস করে দিলেন।

কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ এই দোয়াটি মহানবী (সা.) সবচেয়ে বেশি পড়তেন ।



মহানবী (সা.) যে দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করতেন সেটাই পবিত্র কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া। সূরা আল-বাকারার ২০১ নং আয়াতটিই মূলত মহানবী (সা) বেশি বেশি পাঠ করতেন। উক্ত আয়াতটি তাই পবিত্র কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

দোয়াটি হলো-

‘রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতা, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানা, ওয়াকিনা আজাবান্নার।’ অর্থ : হে আমার প্রভু! আমাকে দুনিয়াতে কল্যাণ দান কর, আখেরাতেও কল্যাণ দান কর এবং আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও। -সূরা বাকারা : ২০১
দোয়ার ফজিলত: বিশিষ্ট তাবেয়ি হজরত কাতাদা (রহ.) সাহাবি হজরত আনাসকে (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন, নবীজী (সা.) কোন দোয়া বেশি করতেন? উত্তরে আনাস (রা.) উপরোক্ত দোয়ার কথা জানালেন। তাই আনাস (রা.) নিজেও যখন দোয়া করতেন তখনই দোয়াতে উক্ত আয়াতকে প্রার্থনারূপে পাঠ করতেন। এমনকি কেউ তার কাছে দোয়া চাইলে তিনি তাকে এ দোয়া দিতেন। একদা তিনি মন্তব্য করেন, আল্লাহতায়ালা এ দোয়াতে দুনিয়া ও আখেরাতের সব কল্যাণ ও জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের প্রার্থনা একত্রিত করে দিয়েছেন।
একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) এক রোগী দেখতে গেলেন। তিনি দেখলেন, রোগী একেবারে হাড্ডিসার হয়ে গেছে। নবী (সা.) তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি আল্লাহর কাছে কি কোনো প্রার্থনা করেছিলে? সে নিবেদন করল, হ্যাঁ। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলাম, হে আল্লাহ! আমার পরকালের শাস্তি আপনি আমাকে দুনিয়াতেই দিয়ে দিন। নবী (সা.) আশ্চর্যান্বিত হয়ে বললেন, ‘সুবহানাল্লাহ! আল্লাহর শাস্তি সহ্য করার ক্ষমতা কি কারো আছে? তুমি এখন থেকে এ দোয়া করতে থাক, রাব্বানা আতিনা…।’ দেখা গেল, এ দোয়ার বরকতে আল্লাহতায়ালা তাকে আরোগ্য দান করলেন।
অন্য আরেক বর্ণনায় আছে, নবী (সা.) রুকনে ইয়ামানি (কাবা শরিফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণ) ও রুকনে আসওয়াদের (কাবা শরিফের দক্ষিণ কোণ) মাঝে উপরোক্ত দোয়া করতেন। তাই হজ ও ওমরার তাওয়াফকালে এ দোয়া পড়তে থাকা সুন্নত।

যে দোআটি আমল করার দ্বারা সব ধরনের দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তি লাভ করা সম্ভব !



তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উপর্যুক্ত দোয়াটি শিখিয়ে দেন এবং তা সকাল সন্ধ্যায় পড়তে বলেন। আবু উমামা বলেন আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ দোয়াটি পড়তে লাগলাম ফলে আল্লাহ তায়ালা আমার চিন্তা দূর করে দিলেন এবং আমার ঋণগুলোও আদায় করে দিলেন। [আবু দাউদ-১৫৫৭ হায়াতুস সাহাবা-৭২৪]
ফজিলত : হজরত আবু সাঈদ খুদরি [রা.] বলেন; একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে নববিতে প্রবেশ করে আনসারি একজন লোককে দেখতে পেলেন, যার নাম আবু উমামা। রাসুল তাকে বললেন, আবু উমামা! ব্যাপার কী, নামাজের সময় ছাড়াও তোমাকে মসজিদে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে? আবু উমামা বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! অনেক ঋণ এবং দুনিয়ার চিন্তা আমাকে গ্রাস করে রেখেছে। তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কিছু কালিমা শিখিয়ে দেব, যেগুলো বললে আল্লাহ তায়ালা তোমার চিন্তাকে দূর করে দেবেন এবং তোমার ঋণগুলো আদায় করে দেবেন। তিনি বলেন: জি হ্যাঁ ইয়া রাসুলাল্লাহ! অবশ্যই বলুন, তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উপর্যুক্ত দোয়াটি শিখিয়ে দেন এবং তা সকাল সন্ধ্যায় পড়তে বলেন। আবু উমামা বলেন আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এ দোয়াটি পড়তে লাগলাম ফলে আল্লাহ তায়ালা আমার চিন্তা দূর করে দিলেন এবং আমার ঋণগুলোও আদায় করে দিলেন। [আবু দাউদ-১৫৫৭ হায়াতুস সাহাবা-৭২৪]
আরবি দোআ : একবার পাঠ করতে হবে।
اللَّهُمَّ إِنِّى أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ.
বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুজনি ওয়া আউজুবিকা মিনাল আজাঝি ওয়াল কাসালি ওয়া আউজুবিকা মিনাল জুবুনি ওয়াল বুখুলি ওয়া আউজুবিকা মিন গলাবাতিত দিনি ওয়া কাহরির রিজালি।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি যাবতীয় চিন্তা ও পেরেশানি থেকে। তোমার আশ্রয় প্রার্থণা করছি সবধরণের অক্ষমতা ও অলসতা থেকে। আরো আশ্রয় প্রার্থনা করছি কাপুরুষতা ও কৃপনতা থেকে। আরো আশ্রয় প্রার্থনা করছি অত্যাধিক ঋণ ও মানুষের ক্রোধ থেকে।